একটা NID দিয়ে কয়টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায় এবং কেন?

বিকাশ একাউন্ট এখন ডাল-ভাত। প্রায় সব ঘরেই বিকাশ একাউন্ট আছে। গ্রামাঞ্চলে এখন মোবাইল ব্যাংকিং ব্যাপক জনপ্রিয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটা nid দিয়ে কয়টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায়?

হুম, এটি খুবই কমন একটি প্রশ্ন, অনেকের কাছে সমস্যার কারণ। চলুন, এব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

যাদের বিকাশ একাউন্ট নেই তারা এখান থেকে বিকাশ একাউন্ট খুলে নিন

এক আইডি দিয়ে কয়টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায়?

একটি nid দিয়ে শুধুমাত্র ১ টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায়। এর বেশি খোলা সম্ভব নয়। যাদের আইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খোলা আছে তারা আর কোনো একাউন্ট খুলতে পারবেন না।

বিকাশ একাউন্ট খুলতে NID কার্ড কেন লাগে?

বিকাশ শুধুমাত্র বাংলাদেশেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। কিন্তু বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি। এক জনের সিম আরেকজনও ব্যবহার করে। তাই উক্ত সিমে কোন বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকলে তার মালিক কে সেটা খুঁজে পাওয়া খুবই ঝামেলার।

একটা nid দিয়ে কয়টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায়

তাছাড়া বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে অবৈধ লেনদেন হয়ে থাকে। বিভিন্ন সময় হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিকাশ থেকে টাকা চুরিও হয়ে থাকে।

এসব অবৈধ কার্যকলাপ ঠেকানোর জন্য আইডি কার্ড বা NID card দিয়ে একাউন্ট খোলা জরুরি। এতে করে একাউন্টের প্রকৃত মালিককে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।

এর ফলে প্রতারণা এড়ানো সম্ভব হয়। তাছাড়া বিকাশ একাউন্টে কোন টাকা থাকলে সেই টাকার প্রকৃত মালিক কে সেটা সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। কোন আইনি জটিলতা থাকলে সেটা সহজেই মিটমিট করা যায়।

একটা NID দিয়ে একটি একাউন্ট কেন?

বিকাশ একাউন্টের জন্য আইডি কার্ড কেন প্রয়োজন সেটা আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি। কিন্তু কথা হলো কেন শুধুমাত্র একটি একাউন্টই খোলা যাবে?

মূলত যারা প্রতারণা করে তাদেরই একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকে। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে, মানুষের টাকা হাতিয়ে নেয়।

একটা বিকাশ একাউন্ট দিয়ে সব ধরণের লেনদেন করা সম্ভব। তাই একাধিক একাউন্ট এর কোন প্রয়োজনই নেই। অর্থাৎ মূলত প্রতারণার ঠেকাতেই বিকাশ সহ সকল মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসে একটি এনআইডি দিয়ে কেবল একটি মাত্র একাউন্ট খোলার সিস্টেম রয়েছে।

আরো পড়তে পারেনঃ বিকাশ পিন রিসেট করার সহজ নিয়ম

তাই আমরা যখন একাউন্ট খুলবো তখন অবশ্যই আমাদের রেজিস্ট্রেশন করা সিম থেকে আমাদের আইডি কার্ড দিয়েই একাউন্ট খুলবো। কারণ, যদি অন্য কারো এনআইডি দিয়ে একাউন্ট খুলি তখন একাউন্ট এ কোন সমস্যা হলে ওই ব্যক্তিকে ছাড়া সমাধান করা সম্ভব নয়। যেটা খুবই ঝামেলার এবং গ্রহণযোগ্য নয়। আশা করি এ ব্যাপারে আমরা বুঝতে পেরেছি।

NID দিয়ে একটি একাউন্ট থাকার কারণে নতুন একাউন্ট খুলতে পারছেন না?

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষেরই একাধিক সিম রয়েছে। হয়তো এখন আপনার একটি সিমে একাউন্ট আছে। কিন্তু পরবর্তীতে অন্য সিমে বিকাশ একাউন্ট করার দরকার হতে পারে। কিন্তু আপনি নতুন একাউন্ট খুলতে পারবেন না। তখন কি করবেন?

Sponsored by TrickBlogBD

ট্রিক ব্লগ বিডির সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

চিন্তার কোন কারণ নেই। সব সমস্যারই সমাধান আছে। আপনি খুব সহজেই আপনার আগের বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারেন। এজন্য আমাদের বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করার নিয়মকানুন সম্পর্কিত পোস্ট টি দেখুন। সেখানে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আগের বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে দিন এবং নতুন সিমে আপনার NID দিয়ে একাউন্ট খুলে নিন। কাজ শেষ।

আশা করি, একটা NID দিয়ে কয়টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায় এবং কেন? এই বিষয়ে আপনারা পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেয়েছেন। কোনো প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় কমেন্ট করতে পারেন।

2 thoughts on “একটা NID দিয়ে কয়টি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায় এবং কেন?”

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.