পর্যটন এলাকায় গিয়ে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতি বছর বিনোদনের জন্য পর্যটন এলাকাগুলোতে যায়। কিন্তু অনেকের জন্য সেই বিনোদন হয়ে ওঠে হতাশার।

কারো জন্য আবার দুঃক্ষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর কারণ আমাদের কিছু অসাবধানতা। আর কিছু মানুষের বিকৃত মানসিকতা।

হতাশা

কিছু বিষয় মেনে চললে এই সব ঝামেলা এড়িয়ে চলা সম্ভব। আর ফুল টাইম বিনোদন গ্রহন করা সম্বব।

ফটো তোলার সময় সতর্ক থাকুন

পর্যটন এলাকাগুলোতে ডিএসএলআর ক্যামেরা হাতে অনেক ফটোগ্রাফারকে দেখা যায়।

সমুদ্র সৈকত

যেমনঃ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। তাদের থেকে ছবি তোলার জন্য নানাভাবে উৎসাহিত করে।

কম টাকা নেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেয়। এই ফাঁদে ভূলেও পা দেবেন না। কারণ এরা কৌশলে আপনার টাকা হাতিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে থাকে।

ডিএসএলআর হাতে একজন ভালো ফটোগ্রাফার

কেউ ছবির দাম বেশি রাখে। আবার কেউ একই স্টাইলে আপনার অনেক ছবি তুলে ফেলে।

পরে তার তোলা ছবির পরিমাণ ১০০-২০০ কপিও হয়ে যায়। এরপর তারা কৌশলে সব ছবি নিতে বাধ্য করবে।

একটা ছবি ৫ টাকা হলেও ২০০ কপি ছবির দাম হয় ১০০০ টাকা। তখন আপনার তেমন কিছুই করার থাকবেনা। বাধ্য হয়েই সব ছবি কিনতে হবে।

বাংলাদেশের পর্যটন স্থান

তবে সব ফটোগ্রাফার এমন নয়। তাই ছবি তোলার আগে নিশ্চিত হয়ে ছবি তুলবেন। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।

সঠিক স্থানে গাড়ি পার্কিং করুন

আমরা কোন জায়গায় বেড়াতে গেলে সাথে গাড়ি নিয়ে যাই। কেউ নিজের গাড়ি নেয়। আবার কেউ বা ভাড়া গাড়ি নেয়। খেয়াল রাখতে হবে পর্যটন এলাকায় কোন জায়গায় গাড়ি পার্ক করছি।

কিছু কিছু জায়গায় গাড়ি ফ্রি তে পার্কিং করা যায়। আবার কিছু জায়গায় টাকা দিয়ে পার্কিং করতে হয়। তাই পার্কিং করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন টাকা লাগবে কিনা। যদি লাগে তাহলে কত?

তবে এমন জায়গায় গাড়ী পার্কিং করবেন না। যেখানে পার্কিং করলে অন্য গাড়ি চলতে সমস্যা হয়।

কিছু কিনার সময় সতর্ক থাকুন

পর্যটন এলাকায় কিনাকাটায়ও সতর্ক হতে হবে। এসব জায়গায় জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী। তাই দেখেশুনে কিনাকাটা করা ভালো।

ঝিনুকের তৈরি মালা

কিছুকিছু জিনিস আমাদের এলাকায় পাওয়া যায়। সেসব জিনিস পর্যটন এলাকা থেকে না কেনাই ভালো। কারণ এতে শুধু শুধু বাড়তি টাকা খরচ হবে।

পর্যটন এলাকায় বিপদে পড়লে কি করবেন?

পর্যটন এলাকায় বপদে পড়লে সর্বপ্রথম পর্যটন পুলিশের সহায়তা নিন। সেটা সম্ভব না হলে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সী হেল্পলাইন ৯৯৯ এ কল করুন।

ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি হেল্পলাইন ৯৯৯

আপনার যেকোন প্রয়োজনে তারা তাৎক্ষণিক সাহায্য পাঠাবে। এই নম্বরে কল করা একদম ফ্রি।

আশা করি করি উপরের বিষয়গুলো মেনে চললে আপনার ভ্রমণ নিরাপদ ও আনন্দদায়ক হবে।

কপিরাইট ডিসক্লেইমারঃ এই পোস্টে ব্যবহৃত ছবিগুলো গুগল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। আর শিক্ষনীয় বিষয়ে “ফেয়ার ইউজ” পলিসি মেনে ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোন কপিরাইট মালিকের আপত্তি থাকলে [email protected] এ যোগাযোগ করুন। কমেন্টও করতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.